বণ্টন (distribution) দেখায় কোন মান কতবার এসেছে। এর আকৃতি — সিমেট্রিক, স্কিউড, এক চূড়া নাকি দুই চূড়া — ঠিক করে দেয় কোন পরিসংখ্যান ব্যবহার করবেন।
কেন জানা দরকার
আকৃতি দেখে বোঝা যায় গড়ে ভরসা করা যায় কিনা এবং নরমালের ওপর দাঁড়ানো টেস্ট ঠিক হবে কিনা।
মূল কথা
- সিমেট্রিক: গড় ≈ মিডিয়ান
- ডানদিকে স্কিউড: উঁচু মানের দিকে লম্বা লেজ, গড় > মিডিয়ান
- বামদিকে স্কিউড: নিচু মানের দিকে লম্বা লেজ, গড় < মিডিয়ান
- দুই চূড়া মানে লুকানো দুটি দল থাকতে পারে
- স্কিউনেস ০-এর কাছে হলে সিমেট্রিকের ইঙ্গিত
- শুধু একটি সংখ্যায় ভরসা না করে সবসময় প্লট দেখুন
বাস্তব গবেষণার উদাহরণ
জ্বর থেকে সেরে ওঠার সময় সাধারণত ডানদিকে স্কিউড: বেশিরভাগ ৩ দিনে ভালো হয়, কয়েকজনের দুই সপ্তাহ লাগে।
কখন ব্যবহার করবেন
- গড়/SD নাকি মিডিয়ান/IQR বাছার আগে এবং প্যারামেট্রিক টেস্টের আগে
কখন ব্যবহার করবেন না
- নমুনা বড় বলেই ডেটাকে নরমাল বলবেন না
- দ্বিতীয় চূড়া উপেক্ষা করবেন না
ছোট উদাহরণ
ডেটা: ২, ৩, ৩, ৩, ৪, ৪, ৫, ২০ → স্কিউনেস স্পষ্টভাবে ধনাত্মক
মনে রাখুন
আগে আকৃতি দেখুন। সেটাই ঠিক করে দেবে সারসংক্ষেপ ও টেস্ট।
নিজে করে দেখুন
ডানদিকে স্কিউড একটি তালিকা (কয়েকটি ছোট ও এক-দুটি বড় সংখ্যা) এবং একটি সিমেট্রিক তালিকা লিখুন। প্রতিটিতে স্কিউনেস, গড় ও মিডিয়ান তুলনা করুন।
আদর্শ উত্তর
স্কিউড তালিকায় স্কিউনেস ধনাত্মক আর গড় মিডিয়ানের ওপরে। সিমেট্রিক তালিকায় স্কিউনেস শূন্যের কাছে আর গড় ≈ মিডিয়ান।