স্টিভেন্সের চারটি স্কেল — নমিনাল, অর্ডিনাল, ইন্টারভ্যাল ও রেশিও — বলে একটি পরিমাপে কতটা তথ্য আছে।
কেন জানা দরকার
স্কেল ঠিক করে দেয় কোন হিসাব অর্থপূর্ণ আর কোন টেস্ট বৈধ।
মূল কথা
- নমিনাল: শুধু নাম (রক্তের গ্রুপ)
- অর্ডিনাল: ক্রম আছে, কিন্তু ব্যবধান সমান নয় (ব্যথা: হালকা, মাঝারি, তীব্র)
- ইন্টারভ্যাল: ব্যবধান সমান, প্রকৃত শূন্য নেই (সেলসিয়াস তাপমাত্রা)
- রেশিও: ব্যবধান সমান ও প্রকৃত শূন্য আছে (ওজন, আয়)
- উঁচু স্কেলে নিচের স্কেলের সব হিসাবই চলে
বাস্তব গবেষণার উদাহরণ
৫-পয়েন্ট স্কেলে সন্তুষ্টি অর্ডিনাল: ১ আর ২-এর ব্যবধান ৪ আর ৫-এর ব্যবধানের সমান নাও হতে পারে। কেজিতে ওজন রেশিও: ৮০ কেজি ৪০ কেজির দ্বিগুণ।
কখন ব্যবহার করবেন
- সারসংক্ষেপ ও টেস্ট বাছতে স্কেল দেখুন (অর্ডিনালে মিডিয়ান, ইন্টারভ্যাল/রেশিওতে গড়)
কখন ব্যবহার করবেন না
- ১০° আর ২০° সেলসিয়াসকে "দ্বিগুণ গরম" বলবেন না
- না ভেবে লাইকার্ট আইটেমকে নিখুঁত সংখ্যা ধরবেন না
মনে রাখুন
নমিনাল < অর্ডিনাল < ইন্টারভ্যাল < রেশিও। স্কেল যত উঁচু, হিসাব তত বেশি করা যায়।
নিজে করে দেখুন
প্রতিটির স্কেল বলুন: রক্তের গ্রুপ, ব্যথার মাত্রা (হালকা/মাঝারি/তীব্র), তাপমাত্রা (°C), ওজন (কেজি)। তারপর নিচে ব্যথার মাত্রাগুলো পেস্ট করে দেখুন কীভাবে সারসংক্ষেপ করা যায়।
আদর্শ উত্তর
নমিনাল, অর্ডিনাল, ইন্টারভ্যাল, রেশিও। অর্ডিনাল মান গণনা ও শতকরা (বা মিডিয়ান) দিয়ে সারসংক্ষেপ করা উচিত, নিখুঁত গড় দিয়ে নয়।