BanglayShikhi
← 🧪 t-টেস্ট

পেয়ার্ড স্যাম্পল t-টেস্ট

5 মিনিট

পেয়ার্ড t-টেস্ট একই মানুষের (বা মিলিয়ে নেওয়া জোড়ার) দুটি পরিমাপ তুলনা করে, যেমন চিকিৎসার আগে ও পরে।

কেন জানা দরকার

প্রত্যেক মানুষকে নিজের কন্ট্রোল ধরলে মানুষে মানুষে পার্থক্য বাদ যায় এবং টেস্ট আরও ধারালো হয়।

মূল কথা

  • ফলাফল: সংখ্যাভিত্তিক
  • ব্যক্তি বা জোড়া দিয়ে যুক্ত দুটি পরিমাপ
  • বিশ্লেষণ হয় পার্থক্য d = পরে − আগে ধরে
  • t = গড়(d) ÷ (SD(d) ÷ √n), df = n − 1
  • পার্থক্যগুলো মোটামুটি নরমাল ধরা হয়
  • ইফেক্ট সাইজ: dz = গড়(d) ÷ SD(d)

বাস্তব গবেষণার উদাহরণ

৪ সপ্তাহের ডায়েটের আগে ও পরে ৮ জন রোগীর সিস্টোলিক BP।

কখন ব্যবহার করবেন

  • একই অংশগ্রহণকারী দুইবার মাপা হলে
  • মিলিয়ে নেওয়া জোড়া (যমজ, ম্যাচড কেস–কন্ট্রোল)

কখন ব্যবহার করবেন না

  • দুই আলাদা দল হলে নয়
  • পার্থক্য তীব্র স্কিউড হলে নয় (উইলকক্সন নিন)

ছোট উদাহরণ

আগে: ১৫০, ১৪২, ১৬০, ১৫৫, ১৪৮, ১৫২
পরে: ১৪০, ১৩৮, ১৫০, ১৪৯, ১৪১, ১৪৬

মনে রাখুন

একই মানুষ দুইবার? দুটি দল আলাদা না ধরে পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করুন।

নিজে করে দেখুন

উদাহরণে পেয়ার্ড t-টেস্ট চালান। তারপর দুটি তালিকা অদলবদল করুন। কী বদলায় আর কী একই থাকে?