পেয়ার্ড t-টেস্ট একই মানুষের (বা মিলিয়ে নেওয়া জোড়ার) দুটি পরিমাপ তুলনা করে, যেমন চিকিৎসার আগে ও পরে।
কেন জানা দরকার
প্রত্যেক মানুষকে নিজের কন্ট্রোল ধরলে মানুষে মানুষে পার্থক্য বাদ যায় এবং টেস্ট আরও ধারালো হয়।
মূল কথা
- ফলাফল: সংখ্যাভিত্তিক
- ব্যক্তি বা জোড়া দিয়ে যুক্ত দুটি পরিমাপ
- বিশ্লেষণ হয় পার্থক্য d = পরে − আগে ধরে
- t = গড়(d) ÷ (SD(d) ÷ √n), df = n − 1
- পার্থক্যগুলো মোটামুটি নরমাল ধরা হয়
- ইফেক্ট সাইজ: dz = গড়(d) ÷ SD(d)
বাস্তব গবেষণার উদাহরণ
৪ সপ্তাহের ডায়েটের আগে ও পরে ৮ জন রোগীর সিস্টোলিক BP।
কখন ব্যবহার করবেন
- একই অংশগ্রহণকারী দুইবার মাপা হলে
- মিলিয়ে নেওয়া জোড়া (যমজ, ম্যাচড কেস–কন্ট্রোল)
কখন ব্যবহার করবেন না
- দুই আলাদা দল হলে নয়
- পার্থক্য তীব্র স্কিউড হলে নয় (উইলকক্সন নিন)
ছোট উদাহরণ
আগে: ১৫০, ১৪২, ১৬০, ১৫৫, ১৪৮, ১৫২ পরে: ১৪০, ১৩৮, ১৫০, ১৪৯, ১৪১, ১৪৬
মনে রাখুন
একই মানুষ দুইবার? দুটি দল আলাদা না ধরে পার্থক্যগুলো বিশ্লেষণ করুন।
নিজে করে দেখুন
উদাহরণে পেয়ার্ড t-টেস্ট চালান। তারপর দুটি তালিকা অদলবদল করুন। কী বদলায় আর কী একই থাকে?
আদর্শ উত্তর
গড় পরিবর্তন ও t-এর চিহ্ন উল্টে যায়, কিন্তু |t|, df ও p একই থাকে। টেস্ট নির্ভর করে পার্থক্যের আকার ও তার ছড়ানোর অনুপাতের ওপর।