গবেষণাকে উদ্দেশ্য, পদ্ধতি ও সময় অনুযায়ী ভাগ করা যায়। গবেষণার ধরন জানলে বোঝা যায় আপনি কতটা জোর দিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে পারবেন।
কেন জানা দরকার
একবারের জরিপ দিয়ে প্রমাণ করা যায় না যে একটি জিনিস আরেকটির কারণ। পরীক্ষামূলক গবেষণা সেই প্রমাণের অনেক কাছাকাছি যেতে পারে।
মূল কথা
- বর্ণনামূলক: কী ঘটছে তা বর্ণনা করে
- বিশ্লেষণমূলক: তুলনা করে বা ব্যাখ্যা খোঁজে
- পর্যবেক্ষণমূলক: আপনি শুধু দেখেন, কাউকে কিছু দেন না
- পরীক্ষামূলক: আপনি নিজে এক্সপোজার ঠিক করে দেন (যেমন র্যান্ডমাইজড ট্রায়াল)
- সংখ্যাগত গবেষণায় সংখ্যা, গুণগত গবেষণায় কথা ও অর্থ
- ক্রস-সেকশনাল = একবারের চিত্র, কোহর্ট = সময় ধরে অনুসরণ
বাস্তব গবেষণার উদাহরণ
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধূমপান নিয়ে জরিপ হলো বর্ণনামূলক ও ক্রস-সেকশনাল। ১,০০০ ধূমপায়ী ও ১,০০০ অধূমপায়ীকে ১০ বছর ধরে অনুসরণ করা হলো পর্যবেক্ষণমূলক কোহর্ট গবেষণা।
কখন ব্যবহার করবেন
- প্রশ্ন ও সম্পদের সাথে মেলে এমন ধরন বেছে নিন
কখন ব্যবহার করবেন না
- সাধারণ ক্রস-সেকশনাল জরিপে কারণ-ফলাফলের ভাষা ("কমায়", "ঘটায়") ব্যবহার করবেন না
মনে রাখুন
গবেষণার ধরন আপনার সিদ্ধান্তের জোর কতটা হতে পারে, তা সীমা দিয়ে দেয়।
নিজে করে দেখুন
একজন শিক্ষক একটি ক্লাসে নতুন পদ্ধতি চালালেন এবং এমন আরেকটি ক্লাসের সাথে নম্বর তুলনা করলেন, যেটি তিনি দৈবভাবে বাছেননি। গবেষণার ধরন ও একটি সীমাবদ্ধতা লিখুন।
এটি কোয়াসি-এক্সপেরিমেন্টাল (র্যান্ডম ভাগ ছাড়া)। সীমাবদ্ধতা: ক্লাস দুটি অন্য দিক থেকেও আলাদা হতে পারে (কনফাউন্ডিং), তাই নম্বরের পার্থক্য নিশ্চিতভাবে পদ্ধতির কারণে নয়।