প্রত্যাশিত ফ্রিকোয়েন্সি হলো সেই গণনা, যা ভেরিয়েবল দুটির মধ্যে কোনো সম্পর্ক না থাকলে প্রতিটি ঘরে দেখা যেত।
কেন জানা দরকার
এটি কাই-স্কয়ারের মাপকাঠি, আর বলে দেয় টেস্টটি ভরসাযোগ্য কিনা।
মূল কথা
- E = সারির মোট × কলামের মোট ÷ সর্বমোট
- প্রতিটি ঘরে O ও E মিলিয়ে দেখুন
- নিয়ম: সব E ≥ ১ এবং অন্তত ৮০% ঘরে E ≥ ৫
- না মিললে ক্যাটাগরি মিলিয়ে দিন বা ফিশার নিন
- (O − E)² ÷ E বড় মানে সেই ঘরগুলোই ফলাফল চালাচ্ছে
বাস্তব গবেষণার উদাহরণ
২০০ জনের মধ্যে ২৫ জন লক্ষণসহ ধূমপায়ী। ধূমপান ও লক্ষণ সম্পর্কহীন হলে E ২৫-এর চেয়ে কম হতো, অর্থাৎ এখানে বাড়তি আছে।
কখন ব্যবহার করবেন
- কাই-স্কয়ারের ফলে ভরসা করার আগে সবসময় E দেখুন
কখন ব্যবহার করবেন না
- অনেক ঘরে E < ৫ হলে কাই-স্কয়ার পড়বেন না
ছোট উদাহরণ
সারির মোট ৫০, কলামের মোট ৫৫, N = ২০০ → E = ৫০ × ৫৫ ÷ ২০০ = ১৩.৭৫
মনে রাখুন
কাই-স্কয়ার ততটাই ভালো, যতটা ভালো তার প্রত্যাশিত গণনা।
নিজে করে দেখুন
খুব ছোট একটি দলসহ ২×২ টেবিল দিয়ে প্রত্যাশিত টেবিল দেখুন। কাই-স্কয়ারের নিয়ম কি মিলছে?
আদর্শ উত্তর
যে ঘরগুলোতে E < ৫, সেগুলো নিয়ম ভাঙে। যুক্তিসঙ্গত হলে ক্যাটাগরি মেলান, নইলে ফিশারের এক্সাক্ট টেস্ট নিন।